শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম ইউনিটের পর এবার দ্বিতীয় ইউনিটের পরমাণু চুল্লি বসতে যাচ্ছে। আগামী ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুল্লি স্থাপনকাজের উদ্বোধন করবেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘আগামী ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের রি-অ্যাক্টর স্থাপনের উদ্বোধনে সম্মত হয়েছেন। এই রি-অ্যাক্টর স্থাপন হবে দেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।’
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ‘চুল্লিপাত্র স্থাপনের ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে রূপপুর বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারবে বলে আমরা আশা করছি এবং প্রথম পর্যায়ে এখান থেকে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর তা জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা হবে।’
ঈশ্বরদীর সাহাপুরের নতুনহাটে গ্রিনসিটি আবাসিক এলাকায় আরএনপিপি ভবনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. শৌকত আকবর, পাবনার জেলা প্রশাসক বিশ্বাস রাসেল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুনসী এবং ঈশ্বরদীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিএম ইমরুল কায়েসসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সহযোগিতা দিচ্ছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা আণবিক শক্তি করপোরেশন রসাটম। চুক্তি অনুযায়ী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, যা নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে একক উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে রূপপুর দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও রূপপুরে প্রতিদিন তিন শিফটে দেশি-বিদেশি ২২ থেকে ২৩ হাজার শ্রমিক দিনরাত কাজ করেছেন।